হুমকি পেয়েই বিমান সরিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র:  ট্রাম্প

Oct 6, 2026 - 09:29
Oct 6, 2026 - 09:29
 0  2
হুমকি পেয়েই বিমান সরিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র:  ট্রাম্প

‘কিছু হুমকি’ থাকার কারণেই রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বোমারু বিমান সরিয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কিছু হুমকির তথ্য ছিল। এ কারণে বিমানগুলোকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।


এর আগে রবিবার (৪ অক্টোবর) পেন্টাগন তাদের বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়ার কথা জানায়। ধারণা করা হচ্ছে, এক ডজনের মতো বি-১ বম্বার ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে উড়ে গেছে। এর আগে ঘাঁটির বাইরে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেফতারের পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


ট্রাম্প বলেন, কোনো হুমকির কারণেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, হ্যাঁ, আমার ধারণা আমরা এটা বলতে পারি। সেগুলো তো এমনি এমনি উড়ে যায়নি। এ সময় তিনি জানান, ওয়াশিংটন জানে যে কারা এই হুমকিগুলো দিয়েছে, যদিও তিনি তাদের পরিচয় প্রকাশ করেননি।


তিনি আরও বলেন, কিছু হুমকি ছিল। শুধু শুধু শত্রুকে আনন্দ না দিয়ে আমরা তাদের ধরব এবং পেটাব। কিন্তু সেগুলোকে (বোমারু বিমান) ওখানে রাখার দরকার কী? সে কারণে সেগুলোকে একটু সরিয়েছি। খুব বেশি দূরে নয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়া মার্কিন বোমারু বিমানগুলোর জন্য ফেয়ারফোর্ড গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

লন্ডন থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিকে ঘিরে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হামলার পরিকল্পনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঘাঁটির কাছে বিস্ফোরক পুঁতে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে যুক্তরাজ্যের কর্তৃপক্ষ। তবে, ইরান এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। 

পরে, ওই পাঁচজনকে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়। তাদের ভ্যানে পেট্রোল পাওয়া গেলেও কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।


এরপর গত বৃহস্পতিবার লন্ডনে ২৫ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিককে গ্রেফতার করে ব্রিটিশ পুলিশ। এসময় তার বিরুদ্ধে বিমানঘাঁটিতে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ আনা হয়।

সূত্র: বিবিসি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ভিশন: বাংলা ভাষাভাষী বিশ্বের জন্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কূটনীতি, ভূরাজনীতি, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বিশ্বপরিবর্তনের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা বিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পাঠকের প্রথম রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত ঘটনাবলিকে তথ্য, গবেষণা, প্রেক্ষাপট এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক শুধু "বিশ্বে কী ঘটছে" তা নয়, বরং "কেন ঘটছে", "বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ কী" এবং "ভবিষ্যতে এর সম্ভাব্য প্রভাব কী"—তা গভীরভাবে বুঝতে পারেন।